শুরুর গল্প

২০০৭ সালের কথা। আমি তখন মাস্টার্স করতে সুইডেনের গথেনবার্গে। প্রতিদিন সকালে ক্লাসে যাই, আর সন্ধ্যায় নিজের ডর্মরুমে বসে কাঁদি। কিছুই ভাল লাগে না। বাসার জন্যে মন কাঁদে। দেশের জন্যে মন কাঁদে। লেখাপড়াতেও মন বসে না। আমি স্কুলজীবন থেকে প্রোগ্রামিং করে আসা মানুষ। মাঝে বিভিন্ন কোম্পানিতে জব করেছি, কঠিন সব সফটওয়্যার বানিয়েছি, এখন এই বুড়ো (!) বয়সে ইউনিভার্সিটি অ্যাসাইনমেন্ট করতে আর পরীক্ষা দিতে ভাল লাগবে কেন? আমি দ্রুত হতাশ হয়ে পরি এবং ক্লাসে অনিয়মিত হয়ে যাই।


Why is this post in Bengali?
This post is primarily targeted to the Bengali-speaking audience who wants to follow the success stories of Bangladeshi companies, which are doing outstanding in the tech industry.

 
এর বদলে আমি তাই করা শুরু করি যা আমি সবসময়ই ভালোবেসে এসেছি – কোডিং। ডর্ম-রুমে বসে ফ্রিল্যান্সিং করতাম, আর বিভিন্ন কোম্পানিতে ইন্টারভিউ দিতাম। একসময় বিশ্বখ্যাত অপেরা ব্রাউজার কোম্পানিতে চাকরি পেয়ে যাই, কিন্তু দুর্ভাগ্য (কিংবা সৌভাগ্য!) বশত সেটি নরওয়েতে হওয়ায় আমার আর যাওয়া হয়ে ওঠেনি। কিছুদিনের মাঝে আমি একটি সুইডিশ কোম্পানির কাছ থেকে দুটো বড় প্রোডাক্ট বানিয়ে দেয়ার অফার পাই এবং কাজ শুরু করে দেই।

আর ঠিক তখনই আমার মাথায় ধাঁ করে একটা আইডিয়া খেলে যায়। এই প্রোডাক্ট দুটি যদি আমি বাংলাদেশে বসে বানাই, এবং বাজেটের কিছু অংশ দিয়ে বাড়তি কোডার ভাড়া করি – তাহলে সবদিক দিয়েই সবার লাভ! আমার লাভ আমি দেশে পরিবারের সাথে থাকতে পারছি, আর আমার ক্লায়েন্টের লাভ তারা দ্রুততম সময়ে কম খরচে তাদের কাজ পেয়ে যাচ্ছে।

অফশোর ডেভেলপমেন্টের সুফলের দিকগুলো আমি খুব সহজেই আমার ক্লায়েন্টকে বোঝাতে সমর্থ হই, এবং এর কিছুদিনের মাঝেই সুইডেনের পাট চুকিয়ে দেশে ফিরে আসি। বাংলাদেশে ফিরে এসে আমার এক অভিজ্ঞ প্রোগ্রামার বন্ধুকে ভাড়া করি এবং একসাথে প্রোডাক্ট ডেভেলপমেন্টের কাজ শুরু করি।

২০০৮ সালে আস্থা আইটি’র জন্ম ঠিক এভাবেই। তখন আমার মাত্র পঁচিশ বছর বয়স। প্রথম ক্লায়েন্টের কাজ সাফল্যের সঙ্গে করে দেয়ার পর রেফারেন্স হিসেবে বিভিন্ন দেশের আরো ক্লায়েন্টের কাজ আমরা পেতে থাকি, আমাদের কোম্পানি বড় হতে থাকে।

শুরুর একটু পর

কোম্পানি খুলবো বললেই খোলা হয়ে যায় না। ব্যাপারটা আলিবাবা ও ৪০ চোরের সেই “খুল জা সিমসিম” এর মতো করে কাজ করে না। কোম্পানি রেজিস্ট্রেশন করতে হবে, ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট খুলতে হবে, অফিস স্পেস ভাড়া নিতে হবে, ফার্নিচার কিনতে হবে, কম্পিউটার কিনতে হবে, ডেকোরেশন করাতে হবে, সে এক বিশাল কর্মযজ্ঞ।

আর এইসব কাজের জন্যে লাগবে মূলধন। অনেক অনেক টাকা। আমার কাছে তখন আছে সর্বসাকুল্যে ১ লাখ টাকা। সেটা দিয়ে কিছুই হবে না। বাবার কাছ থেকে আরো ২ লাখ টাকা ধার নিয়ে অত্যন্ত ছোট পরিসরে শুরু করলাম আমাদের প্রতিষ্ঠান।

আমার মনে আছে আমি প্রথম জব ইন্টারভিউ নিয়েছিলাম আমার বাড়ির ছাদের চিলেকোঠার ঘরে। ঘটনাটি আমার জন্য একই সাথে আনন্দের ও বিব্রতকরও বটে। যিনি ইন্টারভিউ দিতে এসেছিলেন তিনি আমার থেকে বয়সে বেশ বড়। ভদ্রলোক তার ভবিষ্যত কর্মক্ষেত্রের এহেন হাল দেখে বিস্ময়ে বিমূঢ় হয়ে গেলেন। আমি তাকে ঠান্ডা মাথায় যুক্তি দিয়ে বোঝাতে সক্ষম হলাম যে এই চিলেকোঠার ঘর থেকেই খুব শীঘ্রই বড় একটা অফিস প্রতিষ্ঠা করতে পারবো যদি উনি আমার উপর আস্থা রাখেন। শেষমেশ উনি জয়েন করলেন।

২০০৮ সালে আমাদের প্রথম টিম।

“আস্থা” নামটি কেন?

প্রথম থেকেই আমি দৃঢ় প্রতিজ্ঞ ছিলাম যে আমার কোম্পানির নাম হবে বাংলা। আমরা বাংলাদেশের বাংলাভাষী মানুষ। আমাদের প্রতিষ্ঠানের নাম ইংরেজি হতেই হবে এমন কোন কথা নেই। উদাহরণস্বরূপ বলা যায়, জাপানী প্রতিষ্ঠানগুলোর নাম বেশীরভাগ ক্ষেত্রেই তাদের নিজস্ব ভাষায়, যেমন মিৎসুবিশি, হিটাচি, ইত্যাদি। তারা এইসব নাম নিয়ে সফল হতে পারলে আমরা কেন পারবো না?

আমি খুঁজছিলাম একটা “জেনেরিক” বাংলা শব্দ যার সাথে প্রযুক্তির কোন সম্পর্ক নেই। যেটাকে ব্র্যান্ড হিসেবে প্রতিষ্ঠা করে অন্যান্য ধরণের ব্যাবসাও চাইলে করা যাবে। আর সেভাবেই আস্থাকে খুঁজে পাওয়া।

সাফল্যের সাথে ১০ বছর টিকে থাকার রহস্য

প্রথম থেকেই আমার প্রধান লক্ষ্য ছিলো একটা বিশ্বমানের ইনজিনিয়ারিং টিম গঠন করা। আর বিশ্বমানের ইনজিনিয়ারিং টিম গঠন করতে প্রয়োজন হবে বিশ্বমানের প্রতিভা, যা এইদেশে যথেষ্ঠই আছে। শুধু দরকার হবে একটা ভাল বেতন কাঠামো আর আনুষঙ্গিক সুযোগ সুবিধা।

যেহেতু ব্যবসার জন্যে ব্যবসা করাই আমাদের মূল লক্ষ্য না, তাই এই দশ বছর পরেও আমাদের ফার্স্ট প্রায়োরিটি আমাদের ইনজিনিয়ারিং টিম – তাদের আশা আকাঙ্ক্ষা পূরণ, তাদের মেনটরিং, এবং টেকনিক্যাল গ্রোথ।

 
আমার মনে হয় আমাদের দেশের বেশির ভাগ কোম্পানিতেই এইদিকটা বেশ অবহেলিত। এর প্রধান কারন হলো কোম্পানি মালিক পক্ষের ব্যবসায়িক মনোবৃত্তি ও প্রযুক্তির প্রতি ভালবাসার অভাব।

আমি অবাক হই যখন দেখি অনেক কোম্পানি সিনিয়র সফটওয়্যার ইনজিনিয়ার নিয়োগ দিতে চায়, কিন্তু বেতন অফার করে ৫০,০০০/- টাকা। এই বেতনে যেই সিনিয়র সফটওয়্যার ইনজিনিয়ার কাজ করবে তার কাজের কোয়ালিটি কেমন হবে সে বিষয়ে কথা না বলাই ভালো। আমি বিশ্বাস করি একজন দক্ষ সিনিয়র সফটওয়্যার ইনজিনিয়ারের বেতনের রেঞ্জ হওয়া উচিৎ নুন্যতম ৮০,০০০/- থেকে ২ লাখ পর্যন্ত (অভিজ্ঞতা সাপেক্ষে)।

আমি নিজে একসময় প্রোগ্রামার ছিলাম বিধায় আমি খুব ভালো বুঝি টিম মেম্বাররা সফটওয়্যার কোম্পানিগুলোর কাছে কি আশা করে। আসলে আমি যখন কোম্পানি খুলি তখন নিজেকে প্রতিজ্ঞা করেছিলাম যে এটি হবে এমন একটা প্রতিষ্ঠান যা অন্য কোম্পানির সমস্যাগুলো থেকে মুক্ত থাকবে।

সফটওয়্যার ডেভেলপমেন্ট একটা বুদ্ধিবৃত্তিক পেশা, আর এই পেশায় যারা আসে তাদের বিশেষ কিছু চাহিদা আছে। আমরা সেগুলো পূরণ করার চেষ্টা করি।

  • যেমন, আমরা কখনও ওভারটাইম করাই না। কখনই না। কেউ যদি নিজে থেকে বেশি সময় কাজ করে সেটা আমরা অ্যাপ্রিশিয়েট করি, কিন্তু ছুটির পর একঘন্টার জন্যেও বেশি সময় কাউকে থাকতে বাধ্য করি না (যদি না কোন আর্জেন্ট ডেডলাইন থাকে)।
  • আমরা প্রচুর পার্টি করি, অফিসে এনে এবং বাইরে গিয়ে ভালো ভালো খাওয়া হয়, যা আমাদের স্ট্রেস থেকে মুক্তি দেয়। এছাড়া, প্রতি বছর কোম্পানির খরচে আমরা ঢাকার বাইরে কয়েকদিনের জন্য সবাই মিলে ঘুরে আসি। এখানে আমাদের সাম্প্রতিক সিলেট ট্যুরের ছবিগুলো দেখতে পারেন
  • স্কিল ডেভেলপমেন্টের জন্য আমাদের কিছু কর্মকান্ড আছে, যেমন স্কুলিং, সেমিনার ইত্যাদি। এছাড়া আমরা আমাদের কর্মীদের প্রতিদিন নতুন কিছু না কিছু শিখতে উৎসাহিত করি। আমাদের রয়েছে অত্যন্ত স্বচ্ছ বোনাস ও ইনক্রিমেন্ট পলিসি।

 
সব মিলিয়ে আমাদের কাজের পরিবেশ অত্যন্ত ডেভেলপার-ফ্রেন্ডলি। আমাদের স্টাফ রিটেনশন রেট গড়ে ৩ বছর, যা আইটি কোম্পানি হিসেবে অসাধারণ। এমন অনেকবার হয়েছে যে আমাদের ছেড়ে কেউ অন্য কোম্পানিতে সুইচ করে ভালো না লাগার কারনে আবার ব্যাক করেছে।

আস্থা আইটি দেশের সেরা মেধাদের আকর্ষন করে, ও ধরে রাখে। এটাই আমাদের সাফল্যের অন্যতম প্রধান কারন।

মনে রাখতে হবে – একজন ভাল প্রোগ্রামার ১০জন খারাপ প্রোগ্রামারের সমান আউটপুট দেয়। তাই প্রোগ্রামারদের স্কিল বৃদ্ধিতে আমরা সার্বক্ষনিক ভাবে কাজ করি।

আমাদের হায়ারিং পলিসিও অত্যন্ত বৈজ্ঞানিক। এটি এমন ভাবে ডিজাইন করা হয়েছে যে শেষপর্যন্ত কেবল সেরারাই আমাদের প্রতিষ্ঠানে জয়েন করতে পারে।

আমরাই সম্ভবত দেশের একমাত্র টেক কোম্পানি যেখানে প্রতিমাসের একটা গোটা কর্মদিবস আমরা ব্যয় করি ইনটার্নাল হ্যাকাথনে, যেখানে সর্ব জুনিয়র প্রোগ্রামার থেকে শুরু করে সিইও/সিটিও সবাই অংশগ্রহণ করে! সেটার পর অনুষ্ঠিত হয় টেক-টক।

আমাদের অফিসের কিছু খন্ডচিত্র।

 
আমাকে যদি জিগ্যেস করা হয় এই ১০ বছরে আমার ব্যক্তিগত সাফল্য কি – আমি নির্দিধায় উত্তর দেব যে আমি এবং আমরা খুবই অসাধারণ কিছু ইনজিনিয়ার তৈরি করতে পেরেছি যারা বাংলাদেশের ইনডাস্ট্রিতে ব্যাপক অবদান রাখছে। এছাড়া আস্থা আইটি থেকে অভিজ্ঞতা অর্জন শেষে বের হয়ে অনেকে সফল উদ্যোক্তা হয়েছে, এবং আমাদের পলিসিতেই তাদের কোম্পানি চালিয়ে সাফল্য পাচ্ছে।

প্রযুক্তি ও উদ্ভাবনের প্রতি প্রগাঢ় ভালোবাসা

আমি আগেই বলেছি শুধুমাত্র ব্যবসার উদ্দেশ্যে আস্থা আইটির জন্ম হয়নি। এটির জন্ম হয়েছে প্রযুক্তি ও উদ্ভাবনের প্রতি অনন্তর ভালোবাসা থেকে। সেদিক থেকে একে প্রযুক্তি ও উদ্ভাবনের সন্তান বলা যেতে পারে।

  • যেনতেন ভাবে কোডিং করায় আমরা বিশ্বাস করি না। আমাদের প্রতিটা ইনজিনিয়ার চেষ্টা করে সর্বোচ্চ পর্যায়ের সেরা কোড লিখতে, যত কঠিন ডেডলাইনই থাকুক না কেন। যেকোন প্রডাক্ট বা সফটওয়্যার বানানোর আগে আমরা সপ্তাহের পর সপ্তাহ ডিজাইন ও আর্কিটেকচার সেশন করি।
  • মডিউল যতই ছোট হউক না কেন, আমরা দেখি সেখানে কোনো ডিজাইন প্যাটার্ণ অ্যাপ্লাই করে সেটাকে আরো এলিগেন্ট করা যায় নাকি।
  • আমরা UI/UX এ এক পিক্সেল ভুলও ছাড় দেইনা। যেহেতু আমরা ১০০% এক্সপোর্ট-ওরিয়েন্টেড কোম্পানি, তাই আমাদের কম্পিটিশন গোটা পৃথিবীর সব কোম্পানির সাথে, এবং আমাদের সাব-স্ট্যান্ডার্ড কাজ করার কোন সুযোগ নাই।

 
এতো গেল পার্ফেকশনের প্রতি আমাদের অবসেশনের কথা। এর পাশাপাশি বলতে পারি আমাদের নতুন টেকনোলজি early-adapt করার কথা। ব্যাকডেটেড থাকার কোন ইচ্ছা আমাদের নেই। নতুন কোন প্রযুক্তি মার্কেটে স্টেবল হয়ে গেলেই সেটা ব্যবহার করে ফেলি।

কয়েকটা ভাল কাজ ও সাফল্য

অস্ট্রেলিয়ার সবচেয়ে বড় রিয়েল-এস্টেট ও অ্যাপার্টমেন্ট ডেভেলপমেন্ট ও ম্যানেজমেন্ট কোম্পানি মেরিটন আমাদের বানানো সলিউশন ব্যবহার করে। উল্লেখ্য, মাল্টি-বিলিয়ন ডলার কোম্পানি মেরিটন পৃথিবীর সবচেয়ে বড় ৫০০ কোম্পানির মধ্যে একটা।

আমেরিকার ম্যাসাচুসেটস ইন্সটিটিউট অফ টেকনোলজি (MIT) আমাদের বানানো একটা ম্যাসিভলি স্কেলেবল ডিস্ট্রিবিউটেড প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করে। মাইক্রো-সার্ভিস আর্কিটেকচারে তৈরি এই প্ল্যাটফর্মে আমরা এমন কিছু টেকনোলজি, অ্যালগোরিদম, ও ফিচার ইমপ্লিমেন্ট করেছি যা ফেসবুক বা গুগলের কিছু ফিচারের সাথে তুলনা যোগ্য।

AI ও বিগ-ডেটা কে ফোকাস করে বানানো এই ক্লাউড-বেজড প্ল্যাটফর্মে আমরা এমন কিছু প্রযুক্তি ব্যবহার করেছি যা বাংলাদেশে আর কেউ করেছে বলে আমার জানা নেই। এই বিষয়ে আমি আরেকদিন লিখতে চাই।

আমেরিকার হার্ভার্ড ও স্ট্যানফোর্ড ইউনিভার্সিটি আমাদের ক্লায়েন্ট পাইপলাইনে আছে।

আমরা ২০১৩ ও ২০১৪ সালে বেসিস কর্তৃক শ্রেষ্ঠ দশটি আউটসোর্সিং প্রতিষ্ঠানের একটি হিসেবে বিবেচিত হই ও অ্যাওয়ার্ড পাই। সেটা ছিলো আমাদের জন্য অত্যন্ত গর্বের ও আনন্দের।

শেষ কথা

এমাসে আস্থা আইটি ১০ বছরে পা দিয়েছে। এই সময়ের মাঝে বাংলাদেশে অনেক কোম্পানি জন্মে আবার ঝরেও গেছে। আল্লাহর রহমতে আমরা কেবল টিকেই নেই, রীতিমত দৌড়াচ্ছি।

যেই স্পিরিট নিয়ে আস্থা আইটির জন্ম হয়েছিল, যতদিন সেটা আমাদের মাঝে বিরাজ করবে, ততদিন এই প্রতিষ্ঠান সগৌরবে টিকে থাকবে।

আজকের এই অতি আনন্দের দিনে আমি আমাদের সমস্ত শুভানুধ্যায়ীদের জানাই অন্তরের অন্তঃস্থল থেকে সীমাহীন ধন্যবাদ। বিশেষ করে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি আমাদের সকল প্রাক্তন ও বর্তমান সহকর্মীদের যাদের অক্লান্ত ও নিরলশ প্রচেষ্টার কারনেই আমরা আজকে এই পর্যায়ে আসতে পেরেছি।

 
শৈশব থেকে কৈশরে পদার্পন করা আমাদের এই গভীর আবেগের প্রতিষ্ঠানটির যৌবন হোক আরো রঙিন, এটি ভাল করুক বহু যুগ।


লেখকঃ হাসনাইন রিজভী রহমান
সিইও, আস্থা আইটি (বাংলাদেশ)
সিটিও, বিসজেনিক্স ফাউন্ডেশন (আমেরিকা)


এই হচ্ছে আস্থা আইটির সত্যিকার স্পিরিট!

Comments

comments